শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনের ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি নুরুজ্জামান বাদলের (৫১) মৃত্যুতে এ আসনের নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছে।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, শেরপুর-৩ আসনের বৈধ প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা যাওয়ায় আরপিও অনুযায়ী ওই আসনের নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছে।
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও), ১৯৭২-এর অনুচ্ছেদ ১৭-এর ১ উপধারায় বলা হয়েছে, যদি মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের সময়সীমা পার হওয়ার পর এবং ভোটগ্রহণের আগে কোনো বৈধভাবে মনোনীত প্রার্থী মৃত্যুবরণ করেন, তবে সংশ্লিষ্ট আসনের নির্বাচনি কার্যক্রম তাৎক্ষণিকভাবে বাতিল বা স্থগিত করতে হবে।
আইন অনুযায়ী, এ ক্ষেত্রে প্রার্থীকে অবশ্যই নির্বাচন কমিশন কর্তৃক ‘বৈধ প্রার্থী’ হিসেবে স্বীকৃত হতে হবে। প্রার্থীর মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তা একটি গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ওই আসনের নির্বাচনি কার্যক্রম বাতিলের ঘোষণা দেবেন এবং পরবর্তী সময়ে কমিশন নতুন তফসিল ঘোষণা করবে।
তবে আইনে কিছু বিশেষ ব্যতিক্রমও রয়েছে। যদি মৃত ব্যক্তি বৈধ প্রার্থী হিসেবে চূড়ান্ত হওয়ার আগেই মারা যান অথবা ওই আসনে একই দলের বিকল্প কোনো বৈধ প্রার্থী বিদ্যমান থাকে, তবে নির্বাচন স্থগিত করার প্রয়োজন পড়ে না।
এর আগে, মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) রাত ২টার দিকে মারা যান নুরুজ্জামান বাদল।
পরিবার জানায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। পরে তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত তাকে ময়মনসিংহের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়ার পথে রাত ২টার দিকে তার মৃত্যু হয়।